ভালুকায় ঝুট ব্যবসা হাতিয়ে নিতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা ও হুমকি
- আপলোড সময়: ১১:৩৫:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
- / ৯ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহের ভালুকায় কালার মাস্টার কারখানার ঝুট ব্যবসা হাতিয়ে নিতে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বিএনপি নেতা মোর্শেদ আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও অব্যাহত হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার জামিরদিয়া মাস্টার বাড়ি এলাকায়। মঙ্গলবার (১৭মার্চ) সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়, বেশ কয়েকদিন যাবত মোর্শেদ আলমের ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্রকরে প্রতিদিন অজ্ঞাত কয়েক যুবক কারখানার সামনে বিভিন্ন সময় মহরা দিয়ে যায়। মহরার সময় যুবকরা মোর্শেদ আলমকে অশ্লীল গালমন্দ করে ও তাকে ঝুট ব্যবসা ছেড়ে দিতে বলে।
উল্টো, সোমবার একই এলাকার লাল মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম খলিল বাদী হয়ে মোর্শেদ আলমসহ ৪৯ জনের নাম উল্লেখ্য করে ও দুইশতজনকে অজ্ঞাত আসামী করে ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৭। পরে মামলার এজার নামীয় আসামী শরিফ হাসান ও মাহবুব মিয়াকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায় ভালুকা মডেল থানা পুলিশ।
কালার মাস্টার কারখানার নিরাপত্তা কর্মকর্তা ফরহাদ মিয়া জানান, বরাবরের মতই বিকেলে কারখানা থেকে মোর্শেদ আলমের মালিকানাধিন প্রতিষ্ঠান এইচ.আর.কে.এম এন্টারপ্রাইজ কারখানা থেকে ঝুট বেরকরতে আসলে স্থানীয় এমপি বাচ্চু সাহেবের নাম ভাঙ্গিয়ে কিছু যুবক কারখানার গেইটের সামনে এসে মাল (ঝুট) বের করতে বাধা দেয়। পরে নিরাপত্তা কর্মীরা তাদেরকে সরিয়ে দেয়। মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম জানান, তার মালিকানাধিন প্রতিষ্ঠান এইচ.আর.কে.এম এন্টার প্রাইজ প্রায় ২৩ বছর যাবত এসকিউ গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান (কালার মাস্টার) কারখানায় সুনামের সাথে ঝুট ব্যবসা করে আসছে। রোববার কারখানা থেকে মালামাল বের করতে গেলে স্থানীয় বিএনপি নেতা মোহাম্মদ খোকা মিয়া ও ইব্রাহিম খলিলের নেতৃত্বে স্থানীয় এমপি ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর নাম ভাঙ্গিয়ে বাধার সৃষ্টি করে।
তিনি বলেন, আমি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। মোর্শেদ আলম জানান, সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন উদ্দিন বাচ্চুর নাম ভাঙ্গিয়ে তার লোকজন মোর্শেদ আলমের বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছেন। মোর্শেদ আলম বলেন, একদিকে কারখানা থেকে আমার মাল (ঝুট) বেরকরতে বাধা দিচ্ছে আবার আমার বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা দিচ্ছে।
কারখানা থেকে ঝুট বের করতে বাধার কারণ জানতে চাইলে স্থানীয় বিএনপি নেতা খোকা মিয়া বলেন, বাধা দেওয়ার বিষয়টি এমপি ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু সাহবের নলেজে আছে। তাদের নামে কোন ওয়ার্ক ওর্ডার আছে কিনা জানতে চাইলে খোকা মিয়া বলেন, বিষয়টি এমপি সাহেব জানেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু গণমাধ্যমকে বলেন, আমি এসবের কিছুই জানিনা। কেউ যদি আমার কথা বলে তাহলে তাকে বলবেন আমি কার কাছে বলেছি এটা যেনো ক্লিয়ার করে।










