ময়মনসিংহ ০২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মঠবাড়িয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে অপহরণের পর হত্যা চেষ্টা! থানায় মামলা

দৈনিক মুক্তকণ্ঠ
  • আপলোড সময়: ০৬:১২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মে ২০২২
  • / ৫১৮ বার পড়া হয়েছে

শাকিল আহমেদ,পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় রাকিবুল ইসলাম রানা (৩০) নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে অপহরণের পর হত্যা চেষ্টার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতা রানার পিতা বেলায়েত আকন বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে মঙ্গলবার থানায় মামলাটি দায়ের করেন। অপহৃত রানা উপজেলার তুষখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক। মামলা সূত্রে জানাগেছে, পার্শ্ববর্তী ভান্ডারিয়া থানার হারিণপালা এলাকার মন্টু হাওলাদারের ছেলে সাদ্দাম হোসেনের সাথে ছাত্রলীগ নেতা রানার বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে সোমবার রাতে তুষখালী হাওলাদার ফিলিং স্টেশনের সামনা থেকে সাদ্দাম তার লোকজনের সহায়তা মটরসাইকেল যোগে রানাকে অপহরণ করে সাফা ডিগ্রি কলেজের পিছনে নিয়ে এলোপাথারি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে এক অটো গাড়ির ড্রাইভার তাকে উদ্ধার করে সাফা আঃ রাজ্জাক পল্লী সার্জিক্যাল ক্লিনিকে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে স্বজনরা সেখান থেকে রানাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। আহতের পিতা বেলায়েত আকন জানান, তার ছেলেকে প্রথমে তুষখালী হাওলাদার ফিলিং স্টেশনের সামনে বসে হামলা চালিয়ে মটরসাইকেলে সাফা ডিগ্রি কলেজের পিছনে নিয়ে যায়। সেখানে দ্বিতীয় দফায় রামদা দিয়ে এলোপাথারি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে আসামীরা পালিয়ে যায়। মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল জানান, এ ঘটননায় মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যহত আছে।

ট্যাগস :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

মঠবাড়িয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে অপহরণের পর হত্যা চেষ্টা! থানায় মামলা

আপলোড সময়: ০৬:১২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মে ২০২২

শাকিল আহমেদ,পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় রাকিবুল ইসলাম রানা (৩০) নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে অপহরণের পর হত্যা চেষ্টার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতা রানার পিতা বেলায়েত আকন বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে মঙ্গলবার থানায় মামলাটি দায়ের করেন। অপহৃত রানা উপজেলার তুষখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক। মামলা সূত্রে জানাগেছে, পার্শ্ববর্তী ভান্ডারিয়া থানার হারিণপালা এলাকার মন্টু হাওলাদারের ছেলে সাদ্দাম হোসেনের সাথে ছাত্রলীগ নেতা রানার বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে সোমবার রাতে তুষখালী হাওলাদার ফিলিং স্টেশনের সামনা থেকে সাদ্দাম তার লোকজনের সহায়তা মটরসাইকেল যোগে রানাকে অপহরণ করে সাফা ডিগ্রি কলেজের পিছনে নিয়ে এলোপাথারি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে এক অটো গাড়ির ড্রাইভার তাকে উদ্ধার করে সাফা আঃ রাজ্জাক পল্লী সার্জিক্যাল ক্লিনিকে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে স্বজনরা সেখান থেকে রানাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। আহতের পিতা বেলায়েত আকন জানান, তার ছেলেকে প্রথমে তুষখালী হাওলাদার ফিলিং স্টেশনের সামনে বসে হামলা চালিয়ে মটরসাইকেলে সাফা ডিগ্রি কলেজের পিছনে নিয়ে যায়। সেখানে দ্বিতীয় দফায় রামদা দিয়ে এলোপাথারি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে আসামীরা পালিয়ে যায়। মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল জানান, এ ঘটননায় মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যহত আছে।