ময়মনসিংহ ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভালুকায় অসুস্থতার পর ছুটি না পেয়ে এক নারী পোশাক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

দৈনিক মুক্তকণ্ঠ
  • আপলোড সময়: ০৪:১৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৪০ বার পড়া হয়েছে

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহের ভালুকায় অসুস্থতার পর ছুটি না পেয়ে এক নারী পোশাক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। মৃত শ্রমিকের নাম তাসমিনা আক্তার (৪১)। তিনি নেত্রকোনার চল্লিশ বাড়ীর ফজলুল রহমানের মেয়ে। তিনি কারখানার ফিনিশিং সেকশনের সাত নম্বর ফ্লোরে কর্মরত ছিলেন।

সহকর্মীরা জানান, সকাল আটটার দিকে কাজ করার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন তাসমিনা আক্তার। এ সময় তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে ছুটির আবেদন করলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ তা মঞ্জুর করেনি বলে অভিযোগ শ্রমিকদের।

​পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কোম্পানি নিজস্ব গাড়িতে তাকে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে সেখানে শারীরিক পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক দেখে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে ময়মনসিংহে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে ঘটনার বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি কারখানা কতৃপক্ষ।

এ ঘটনায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের এএসআই ফিরোজ রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অসুস্থতার পরও ছুটি না দেওয়ার বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছেন। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় শ্রমিকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​

​

ট্যাগস :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

ভালুকায় অসুস্থতার পর ছুটি না পেয়ে এক নারী পোশাক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

আপলোড সময়: ০৪:১৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহের ভালুকায় অসুস্থতার পর ছুটি না পেয়ে এক নারী পোশাক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। মৃত শ্রমিকের নাম তাসমিনা আক্তার (৪১)। তিনি নেত্রকোনার চল্লিশ বাড়ীর ফজলুল রহমানের মেয়ে। তিনি কারখানার ফিনিশিং সেকশনের সাত নম্বর ফ্লোরে কর্মরত ছিলেন।

সহকর্মীরা জানান, সকাল আটটার দিকে কাজ করার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন তাসমিনা আক্তার। এ সময় তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে ছুটির আবেদন করলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ তা মঞ্জুর করেনি বলে অভিযোগ শ্রমিকদের।

​পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কোম্পানি নিজস্ব গাড়িতে তাকে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে সেখানে শারীরিক পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক দেখে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে ময়মনসিংহে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে ঘটনার বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি কারখানা কতৃপক্ষ।

এ ঘটনায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের এএসআই ফিরোজ রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অসুস্থতার পরও ছুটি না দেওয়ার বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছেন। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় শ্রমিকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​

​