ময়মনসিংহ ০৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতার মোহ নয়, হালাল জীবিকার অনন্য দৃষ্টান্ত আব্দুর রউফ

দৈনিক মুক্তকণ্ঠ
  • আপলোড সময়: ০২:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / ৭৭ বার পড়া হয়েছে

শফিকুল ইসলাম সবুজ:- বর্তমান সময়ে যখন ক্ষমতা ও পদ-পদবিকে কেন্দ্র করে বিত্ত-বৈভব গড়ার প্রতিযোগিতা চলছে, ঠিক তখনই ব্যতিক্রমী এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ১০নং হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আব্দুর রউফ।

২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আব্দুর রউফ আজ জীবিকার তাগিদে রাস্তার পাশে বসে কলা বিক্রি করছেন। তবে এ নিয়ে তার মধ্যে নেই কোনো আক্ষেপ বা হতাশা। বরং হালাল উপার্জনের প্রতি রয়েছে গভীর সন্তুষ্টি ও আত্মতৃপ্তি।

স্থানীয়দের মতে, দায়িত্ব পালনকালে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের সেবা করেছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের পথে হাঁটেননি তিনি। জনপ্রতিনিধির দায়িত্বকে তিনি জনগণের আমানত হিসেবে দেখেছেন এবং সবসময় সৎ থাকার চেষ্টা করেছেন।

মেম্বার পদে ছিলেন বলেই তিনি কখনো শ্রমকে ছোট করে দেখেননি। রাস্তার পাশে বসে কলা বিক্রি করাকে তিনি অসম্মানের নয়, বরং সম্মানের কাজ হিসেবেই মনে করেন। কারণ তার বিশ্বাস, হালাল উপার্জনের চেয়ে বড় মর্যাদা আর কিছু হতে পারে না।

আব্দুর রউফের সাদামাটা জীবনযাপন ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই তাকে বর্তমান সমাজের জন্য একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, প্রকৃত সুখ ও শান্তি বিলাসিতায় নয়, বরং সততা, নৈতিকতা ও হালাল উপার্জনের মধ্যেই নিহিত।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, আব্দুর রউফের মতো সৎ ও আদর্শবান মানুষ সমাজের জন্য অনুকরণীয় হতে পারেন। তারা তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।

ট্যাগস :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

ক্ষমতার মোহ নয়, হালাল জীবিকার অনন্য দৃষ্টান্ত আব্দুর রউফ

আপলোড সময়: ০২:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

শফিকুল ইসলাম সবুজ:- বর্তমান সময়ে যখন ক্ষমতা ও পদ-পদবিকে কেন্দ্র করে বিত্ত-বৈভব গড়ার প্রতিযোগিতা চলছে, ঠিক তখনই ব্যতিক্রমী এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ১০নং হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আব্দুর রউফ।

২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আব্দুর রউফ আজ জীবিকার তাগিদে রাস্তার পাশে বসে কলা বিক্রি করছেন। তবে এ নিয়ে তার মধ্যে নেই কোনো আক্ষেপ বা হতাশা। বরং হালাল উপার্জনের প্রতি রয়েছে গভীর সন্তুষ্টি ও আত্মতৃপ্তি।

স্থানীয়দের মতে, দায়িত্ব পালনকালে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের সেবা করেছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের পথে হাঁটেননি তিনি। জনপ্রতিনিধির দায়িত্বকে তিনি জনগণের আমানত হিসেবে দেখেছেন এবং সবসময় সৎ থাকার চেষ্টা করেছেন।

মেম্বার পদে ছিলেন বলেই তিনি কখনো শ্রমকে ছোট করে দেখেননি। রাস্তার পাশে বসে কলা বিক্রি করাকে তিনি অসম্মানের নয়, বরং সম্মানের কাজ হিসেবেই মনে করেন। কারণ তার বিশ্বাস, হালাল উপার্জনের চেয়ে বড় মর্যাদা আর কিছু হতে পারে না।

আব্দুর রউফের সাদামাটা জীবনযাপন ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই তাকে বর্তমান সমাজের জন্য একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, প্রকৃত সুখ ও শান্তি বিলাসিতায় নয়, বরং সততা, নৈতিকতা ও হালাল উপার্জনের মধ্যেই নিহিত।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, আব্দুর রউফের মতো সৎ ও আদর্শবান মানুষ সমাজের জন্য অনুকরণীয় হতে পারেন। তারা তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।