ময়মনসিংহ ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা: নির্মাণের সময় নীরবতা, উচ্ছেদে কোটি টাকার ক্ষতি দায় কার?

দৈনিক মুক্তকণ্ঠ
  • আপলোড সময়: ০৬:২৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • / ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

শফিকুল ইসলাম সবুজ:- ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ যেন এক নীরব নিয়মে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনের চোখের সামনেই বছরের পর বছর গড়ে উঠছে এইসব দোকানপাট, মার্কেট ও বিভিন্ন স্থাপনা। অথচ নির্মাণকাজ চলাকালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় না। পরে হঠাৎ করেই শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। এতে ভাঙা-গড়ার এই চক্রে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ ব্যবসায়ী ও জনগণ।স্থানীয়দের প্রশ্ন, অবৈধ স্থাপনা যদি হয়ই, তাহলে নির্মাণের শুরুতেই কেন বাধা অথবা বন্ধ করা হয় না? স্থাপনা সম্পূর্ণ নির্মাণ হওয়ার পর উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি করার দায়ভার কে নেবে?

সচেতন মহলের দাবি, মহাসড়কের পাশে অবৈধ দখল ও স্থাপনা নির্মাণ একদিনে গড়ে ওঠে না। এর পেছনে কোনো না কোনোভাবে দায়িত্বে অবহেলা, নজরদারির ঘাটতি কিংবা অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশ রয়েছে। প্রশাসনের কার্যকর তদারকি থাকলে অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠার সুযোগ থাকতো না।ব্যবসায়ীরা জানান, অনেকেই জীবনের সঞ্চয় বা ঋণের টাকা দিয়ে দোকান নির্মাণ করেন। পরে উচ্ছেদ অভিযানে সবকিছু হারিয়ে পথে বসতে হয়। এতে যেমন আর্থিক ক্ষতি হয়, তেমনি অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়।এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালালেই হবে না, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের শুরু থেকেই কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে জবাবদিহিতা ও ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

ট্যাগস :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা: নির্মাণের সময় নীরবতা, উচ্ছেদে কোটি টাকার ক্ষতি দায় কার?

আপলোড সময়: ০৬:২৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

শফিকুল ইসলাম সবুজ:- ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ যেন এক নীরব নিয়মে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনের চোখের সামনেই বছরের পর বছর গড়ে উঠছে এইসব দোকানপাট, মার্কেট ও বিভিন্ন স্থাপনা। অথচ নির্মাণকাজ চলাকালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় না। পরে হঠাৎ করেই শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। এতে ভাঙা-গড়ার এই চক্রে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ ব্যবসায়ী ও জনগণ।স্থানীয়দের প্রশ্ন, অবৈধ স্থাপনা যদি হয়ই, তাহলে নির্মাণের শুরুতেই কেন বাধা অথবা বন্ধ করা হয় না? স্থাপনা সম্পূর্ণ নির্মাণ হওয়ার পর উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি করার দায়ভার কে নেবে?

সচেতন মহলের দাবি, মহাসড়কের পাশে অবৈধ দখল ও স্থাপনা নির্মাণ একদিনে গড়ে ওঠে না। এর পেছনে কোনো না কোনোভাবে দায়িত্বে অবহেলা, নজরদারির ঘাটতি কিংবা অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশ রয়েছে। প্রশাসনের কার্যকর তদারকি থাকলে অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠার সুযোগ থাকতো না।ব্যবসায়ীরা জানান, অনেকেই জীবনের সঞ্চয় বা ঋণের টাকা দিয়ে দোকান নির্মাণ করেন। পরে উচ্ছেদ অভিযানে সবকিছু হারিয়ে পথে বসতে হয়। এতে যেমন আর্থিক ক্ষতি হয়, তেমনি অনেক পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়।এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালালেই হবে না, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের শুরু থেকেই কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে জবাবদিহিতা ও ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।