ময়মনসিংহ ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যাংকে বন্ধক রাখা জমি বিক্রির অভিযোগ, বিপাকে ৫  পরিবার

দৈনিক মুক্তকণ্ঠ
  • আপলোড সময়: ০৯:২৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২৬ বার পড়া হয়েছে

ভালুকা প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহের ভালুকায় ব্যাংকে বন্ধক রাখা জমি তথ্য গোপন করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমির পাঁচ ক্রেতার মধ্যে দুইজন শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ অন্যরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে ন্যায়বিচারের দাবিতে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী মো. সবুজ মিয়া।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৮/১৯ সালে ভালুকা উপজেলার ভান্ডাব মৌজার আরএস ১৬২ ও ২৮৭ নম্বর খতিয়ানের বিএস ৩৩৪ ও ৩৩২ নম্বর দাগের মোট ২৩ শতাংশ জমি একই এলাকার মো. সবুজ মিয়া নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে পাঁচজন মিলে কিনে নেন। জমি কেনার পর ক্রেতাদের কয়েকটি পরিবার সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে প্রায় আট বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন শারীরিক প্রতিবন্ধী।
ভুক্তভোগী মো. সবুজ মিয়ার দাবি, সম্প্রতি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জমি খালি করার জন্য চিঠি দিলে তাঁরা জানতে পারেন, জমিটির আগের মালিক তাঁর মালিকানাধীন ‘মেসার্স সজিব ট্রেডার্স’-এর নামে বাংলাদেশ অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, ভালুকা শাখা থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। ওই ঋণের বিপরীতে তফসিলভুক্ত জমিটি ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখা হয়েছিল।
‘সজিব ট্রেডার্স’-এর নামে ২০ লাখ টাকা ঋণ নেওয়া হয়। যথাসময়ে কিস্তি পরিশোধ না করায় বর্তমানে ব্যাংকের পাওনা দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জমিটি ব্যাংকে বন্ধক রাখার বিষয়টি তাঁদের কাছে গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। ফলে জমি কিনে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাসকারী পরিবারগুলো এখন উচ্ছেদ ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন।
লিখিত আবেদনে মো. সবুজ মিয়া বলেন, তাঁরা ক্রয়সূত্রে জমির মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস করছেন। কিন্তু ব্যাংকের চিঠি পাওয়ার পর জমিটি বন্ধক থাকার বিষয়টি জানতে পারেন। এ অবস্থায় বিষয়টি তদন্ত করে তাঁদের স্বার্থ রক্ষা ও ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সবুজ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে হলে তাকে পাওয়া যায়নি, তবে ছেলে সজিব মিয়া বলেন আমার বাবা বড় ব্যবসায়ী ছিল কিন্তু সে ব্যবসায় লস করে এখন প্রায় ১০ বছর দরে কোথায় আছে আমরা জানিনা, তবে আমার বাবা সবুজ গংদের কাছে জমি বিক্রি করেছে সত্য ব্যাংকের বিষয়ে আমার জানা নেই, তবে আমরা চেষ্টা করেছি টাকা দেওয়ার কিন্তু এখন সমর্থন নেই আমাদের তাই সরকারের কাছে দাবী করি বাংকের টাকা যেন মাফ করে দেন।
এ বিষয়ে  ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে বলা যাবে বিস্তারিত।
তারিখ :-১২-০৯-২০২৬
ট্যাগস :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information

ব্যাংকে বন্ধক রাখা জমি বিক্রির অভিযোগ, বিপাকে ৫  পরিবার

আপলোড সময়: ০৯:২৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভালুকা প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহের ভালুকায় ব্যাংকে বন্ধক রাখা জমি তথ্য গোপন করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমির পাঁচ ক্রেতার মধ্যে দুইজন শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ অন্যরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে ন্যায়বিচারের দাবিতে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী মো. সবুজ মিয়া।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৮/১৯ সালে ভালুকা উপজেলার ভান্ডাব মৌজার আরএস ১৬২ ও ২৮৭ নম্বর খতিয়ানের বিএস ৩৩৪ ও ৩৩২ নম্বর দাগের মোট ২৩ শতাংশ জমি একই এলাকার মো. সবুজ মিয়া নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে পাঁচজন মিলে কিনে নেন। জমি কেনার পর ক্রেতাদের কয়েকটি পরিবার সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে প্রায় আট বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন শারীরিক প্রতিবন্ধী।
ভুক্তভোগী মো. সবুজ মিয়ার দাবি, সম্প্রতি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জমি খালি করার জন্য চিঠি দিলে তাঁরা জানতে পারেন, জমিটির আগের মালিক তাঁর মালিকানাধীন ‘মেসার্স সজিব ট্রেডার্স’-এর নামে বাংলাদেশ অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, ভালুকা শাখা থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। ওই ঋণের বিপরীতে তফসিলভুক্ত জমিটি ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখা হয়েছিল।
‘সজিব ট্রেডার্স’-এর নামে ২০ লাখ টাকা ঋণ নেওয়া হয়। যথাসময়ে কিস্তি পরিশোধ না করায় বর্তমানে ব্যাংকের পাওনা দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জমিটি ব্যাংকে বন্ধক রাখার বিষয়টি তাঁদের কাছে গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। ফলে জমি কিনে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাসকারী পরিবারগুলো এখন উচ্ছেদ ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন।
লিখিত আবেদনে মো. সবুজ মিয়া বলেন, তাঁরা ক্রয়সূত্রে জমির মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস করছেন। কিন্তু ব্যাংকের চিঠি পাওয়ার পর জমিটি বন্ধক থাকার বিষয়টি জানতে পারেন। এ অবস্থায় বিষয়টি তদন্ত করে তাঁদের স্বার্থ রক্ষা ও ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সবুজ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে হলে তাকে পাওয়া যায়নি, তবে ছেলে সজিব মিয়া বলেন আমার বাবা বড় ব্যবসায়ী ছিল কিন্তু সে ব্যবসায় লস করে এখন প্রায় ১০ বছর দরে কোথায় আছে আমরা জানিনা, তবে আমার বাবা সবুজ গংদের কাছে জমি বিক্রি করেছে সত্য ব্যাংকের বিষয়ে আমার জানা নেই, তবে আমরা চেষ্টা করেছি টাকা দেওয়ার কিন্তু এখন সমর্থন নেই আমাদের তাই সরকারের কাছে দাবী করি বাংকের টাকা যেন মাফ করে দেন।
এ বিষয়ে  ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে বলা যাবে বিস্তারিত।
তারিখ :-১২-০৯-২০২৬